কদিন আগে সন্ধ্যেবেলা আমাকে বলল – দাদা একটু ধুপ আর মোমবাতি জ্বালিয়ে দে । বুঝলাম বোনের মাসিক হয়েছে । মা সন্ধ্যে হলেই বেলামাসির বাড়ী গল্প করতে যেত । আমি চারদিনের দিন বোনকে মালা ডি পিল এনে দিয়ে বললাম কাল থেকে রোজ একটা করে খাবি । বোন মুচকি হেসে ট্যাবলেটগুলো বুকের খাঁজে ঢুকিয়ে নিল । পরদিন সন্ধ্যেবেলা বোনকে বললাম – কিরে, ধুপ জ্বেলে দেব ? বোন মুচকি হেসে বলল – না, আজ আর লাগবেনা । বলে নিজেই ধুপ জ্বালিয়ে আমার কাছে এসে দাঁড়াল । বললাম -কিরে কিছু বলবি ? বলল – দাদা, তুই গত মাসখানেক ধরে সন্ধ্যেবেলা বেরোচ্ছিস না কেন ? আমি অস্বস্তিতে পড়লাম । আসলে আমি অনেক সময়ই সন্ধ্যেবেলা বেশ্যাবাড়ী যেতাম । কিন্তু গত কিছুকাল ধরে বোন বাড়ীতে থাকায় যেতে লজ্জ্বা করত । ও বেচারীরওতো শরীরের ক্ষিদে মিটছেনা । বললাম – না এমনিই বেরোইনা । কেন রে ?
– হ্যাঁরে, কিন্তু মার চোখকে ফাঁকি দিবি কি করে ?
– দূর, তুই না দাদা ঢ্যামনা আছিস, মা নিজে বুঝি সাধুপুরুষ ! বেলা মাসির বাড়ি রোজ কেন যায় তুই জানিস না ?
দুই ভাই-বোনে উদোম ন্যাংটো হয়ে পরসপরের আলিঙ্গনে বদ্ধ । আমি বোনের ডেয়োপিঁপড়ের মত উঁচু নিটোল গোল